কাভার লেটার
কাভার লেটার হচ্ছে ২-৩ প্যারাগ্রাপের একটি ছোট চিঠি যা আপনি এবং আপনার দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতার সক্ষিপ্ত বিবরণ তোলে ধরে। রূপক অর্থে একটি কাভার লেটার প্রকাশ করে কেন আপনি এই জবটির জন্য আবেদন করছেন এবং কেন আপনি এটির জন্য যোগ্য। একটি কার্যকরী কাভার লেটার বর্ণনা করে একটি সুনির্দিষ্ট কাজের প্রতি আপনার আগ্রহ এবং চিহ্নিত করে সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা।
যেভাবে কাভার লেটার লিখবেনঃ
প্রথম ধাপঃ- নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে উদ্দেশ্য করে শুরু করুন । খুজে বের করুন কাজের বর্ণনায় কোথাও ক্লায়েন্টের নাম আছে কিনা। যদি নাম পেয়ে যান তবে ঐ নামকে উদ্দেশ্য করে শুরু করুন। যদি নাম না থাকে তাহলে শুরু করুন Hi Dear/ Hello Dear এইসব শব্দ দিয়ে, কখনোই খুব বেশি ফরমাল শব্দ (Dear Sir/ Madam এই ধরণের) দিয়ে শুরু করবেন না।
বিঃ দ্রঃ- আপনার কাভার লেটারটি সবসময় ছোট এবং সারসংক্ষেপ রাখুন। কখনোই একপৃষ্টার (দুই তিনটা প্যারাগ্রাপই যথেষ্ট) বেশি যেন না হয়।
দিতীয় ধাপঃ- আপনার ক্লায়েন্ট কে শুভেচ্ছা জানান তার অবস্থানের সময় বা পরিস্থিতিকে মাথায় রেখে। যেমন- আপনি যখন লিখছেন তখন তার দেশে যদি সকাল হয়, আপনি লিখতে পারেন Good Morning, অথবা তার সময় যদি হয় বিকাল আপনি লিখতে পারেন Good Afternoon, এইভাবে। খুব বেশি ফরমাল (যেমন I would like to inform you that বা I beg to state that ) বা খুব বেশি ইনফরমাল (যেমন How r u? বা What’s up) ভাষায় যেন লেখা না হয়।
তৃতীয় ধাপঃ- কাজের আগ্রহ প্রকাশ করুন সুন্দর ভাষা দিয়ে।
চতুর্থ ধাপঃ- কাজের বর্ণনাটি ভাল ভাবে পড়ুন এবং বুঝুন। সাথে কোন লিঙ্ক দেয়া থাকলে তা ওপেন করে বিস্তারিত পড়ার চেষ্টা করুন। এবং সে কাজটি যেভাবে চাচ্ছে তাতে আপনার কোন পরামর্শ থাকলে দিন বা আপনার কিছু জানার থাকলে সঠিকভাবে প্রশ্ন করুন যাতে ক্লায়েন্ট কাজের উপর আপনার জ্ঞানের গভীরতা বুঝতে পারে।
পঞ্চম ধাপঃ- একই ধরণের কাজের কোন নমুনা Attachment এ গিয়ে Attach করুন এবং তা এইখানে উল্লেখ করুন। আপনার অভিজ্ঞতার আলোকে এই কাজটির সামঞ্জস্যতা তুলে ধরুন। এবং প্রমান করুন কেন আপনি এই কাজের জন্য যোগ্য এবং কেন তারা আপনাকেই এই কাজের জন্য বাছাই করবে।
ষষ্ট ধাপঃ- কাজের বর্ণনায় কোন বিশেষ কিছু উল্লেখ করার জন্য বললে তা উল্লেখ করুন।
সপ্তম ধাপঃ- ধন্যবাদ জ্ঞাপন সহ যথোপযুক্ত বিদায় সম্ভাষণ জানান। অতঃপর চার লাইন খালি রেখে আপনার নাম লিখুন। যেমনঃ
Thanking you
Sincerely/ Best Regards/ Regards
Ahmed Abdullah
বিঃ দ্রঃ ক্লায়েন্ট না চাওয়া পর্যন্ত কাভার লেটারে কোথাও আপনার সাথে যোগাযোগের কোন ধরণের তত্ত্ব দিবেননা।
অষ্টম ধাপঃ- যথক্ষণ আপনার কাভার লেটারটি ত্রুটিমুক্ত না হয় তথক্ষণ যত্ন সহকারে পড়ুন এবং যদি সম্ভব হয় অন্য কাউকে দিয়ে পড়ান। জমা দেয়ার আগে নিশ্চিত হউন যে তাতে কোন ধরণের ভূল নাই। এখন জমা দিন।
কাভার লেটার হচ্ছে ২-৩ প্যারাগ্রাপের একটি ছোট চিঠি যা আপনি এবং আপনার দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতার সক্ষিপ্ত বিবরণ তোলে ধরে। রূপক অর্থে একটি কাভার লেটার প্রকাশ করে কেন আপনি এই জবটির জন্য আবেদন করছেন এবং কেন আপনি এটির জন্য যোগ্য। একটি কার্যকরী কাভার লেটার বর্ণনা করে একটি সুনির্দিষ্ট কাজের প্রতি আপনার আগ্রহ এবং চিহ্নিত করে সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা।
যেভাবে কাভার লেটার লিখবেনঃ
প্রথম ধাপঃ- নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে উদ্দেশ্য করে শুরু করুন । খুজে বের করুন কাজের বর্ণনায় কোথাও ক্লায়েন্টের নাম আছে কিনা। যদি নাম পেয়ে যান তবে ঐ নামকে উদ্দেশ্য করে শুরু করুন। যদি নাম না থাকে তাহলে শুরু করুন Hi Dear/ Hello Dear এইসব শব্দ দিয়ে, কখনোই খুব বেশি ফরমাল শব্দ (Dear Sir/ Madam এই ধরণের) দিয়ে শুরু করবেন না।
বিঃ দ্রঃ- আপনার কাভার লেটারটি সবসময় ছোট এবং সারসংক্ষেপ রাখুন। কখনোই একপৃষ্টার (দুই তিনটা প্যারাগ্রাপই যথেষ্ট) বেশি যেন না হয়।
দিতীয় ধাপঃ- আপনার ক্লায়েন্ট কে শুভেচ্ছা জানান তার অবস্থানের সময় বা পরিস্থিতিকে মাথায় রেখে। যেমন- আপনি যখন লিখছেন তখন তার দেশে যদি সকাল হয়, আপনি লিখতে পারেন Good Morning, অথবা তার সময় যদি হয় বিকাল আপনি লিখতে পারেন Good Afternoon, এইভাবে। খুব বেশি ফরমাল (যেমন I would like to inform you that বা I beg to state that ) বা খুব বেশি ইনফরমাল (যেমন How r u? বা What’s up) ভাষায় যেন লেখা না হয়।
তৃতীয় ধাপঃ- কাজের আগ্রহ প্রকাশ করুন সুন্দর ভাষা দিয়ে।
চতুর্থ ধাপঃ- কাজের বর্ণনাটি ভাল ভাবে পড়ুন এবং বুঝুন। সাথে কোন লিঙ্ক দেয়া থাকলে তা ওপেন করে বিস্তারিত পড়ার চেষ্টা করুন। এবং সে কাজটি যেভাবে চাচ্ছে তাতে আপনার কোন পরামর্শ থাকলে দিন বা আপনার কিছু জানার থাকলে সঠিকভাবে প্রশ্ন করুন যাতে ক্লায়েন্ট কাজের উপর আপনার জ্ঞানের গভীরতা বুঝতে পারে।
পঞ্চম ধাপঃ- একই ধরণের কাজের কোন নমুনা Attachment এ গিয়ে Attach করুন এবং তা এইখানে উল্লেখ করুন। আপনার অভিজ্ঞতার আলোকে এই কাজটির সামঞ্জস্যতা তুলে ধরুন। এবং প্রমান করুন কেন আপনি এই কাজের জন্য যোগ্য এবং কেন তারা আপনাকেই এই কাজের জন্য বাছাই করবে।
ষষ্ট ধাপঃ- কাজের বর্ণনায় কোন বিশেষ কিছু উল্লেখ করার জন্য বললে তা উল্লেখ করুন।
সপ্তম ধাপঃ- ধন্যবাদ জ্ঞাপন সহ যথোপযুক্ত বিদায় সম্ভাষণ জানান। অতঃপর চার লাইন খালি রেখে আপনার নাম লিখুন। যেমনঃ
Thanking you
Sincerely/ Best Regards/ Regards
Ahmed Abdullah
বিঃ দ্রঃ ক্লায়েন্ট না চাওয়া পর্যন্ত কাভার লেটারে কোথাও আপনার সাথে যোগাযোগের কোন ধরণের তত্ত্ব দিবেননা।
অষ্টম ধাপঃ- যথক্ষণ আপনার কাভার লেটারটি ত্রুটিমুক্ত না হয় তথক্ষণ যত্ন সহকারে পড়ুন এবং যদি সম্ভব হয় অন্য কাউকে দিয়ে পড়ান। জমা দেয়ার আগে নিশ্চিত হউন যে তাতে কোন ধরণের ভূল নাই। এখন জমা দিন।